পাবলিকিয়ান পরিবার—এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পথচলা !
আমরা সাবেক শিক্ষার্থীরা, যারা বিদ্যাগঞ্জ রাণী রাজবালা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এরপর ভর্তি যুদ্ধ সম্পন্ন করে উচ্চশিক্ষার্থে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছি , আমাদের মাঝে সর্বপ্রথম একটি কমিউনিটি এর ধারণা নিয়ে আসেন আমাদের স্কুলেরই প্রিয় শিক্ষকগণ। এবং ২০২৪ এ প্রথম আমাদের একত্রিত হয়ে একটি কমিউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তারিখটি মনে আছে?
হ্যা, ০৭ জুলাই, ২০২৪ এ মোটামুটি একটা অফলাইন মিটআপের পর আমাদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, তবে সে বছর জুন থেকেই মোটামুটি গুঞ্জন চলছিলো আমাদের কমিউনিটি সৃষ্টির।
যেই ভাবা, সেই কাজ— পরিকল্পনা হলো, আপাতত সাবেক শিক্ষার্থী যারা পাবলিকে এখনও অধ্যয়নরত আছেন, মোটামুটি স্কুলের এসএসসি ১৬ থেকে ২১ ব্যাচ পর্যন্ত– সকলকে যুক্ত করা হলো। সেই সাথে একটা মেসেঞ্জার গ্রুপে ১৬ থেকে ২১ এর সব পাবলিকিয়ানদের যুক্ত করে ফেলা হলো। নাম দেয়া হলো "পাবলিকিয়ান কমিউনিটি অফ বিদ্যাগঞ্জ"
আমাদের কমিউনিটির সর্বপ্রথম কার্যক্রম ছিল স্কুলের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী এবং টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মাঝে উৎসাহমূলক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা। এবং আমরা তাতে সমর্থ হই। একইসাথে আমাদের কমিউনিটির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সর্বপ্রথম শিক্ষার্থীরা জানতে পারে।
যদি একটু সারাংশ করি, ২০২৪ এর পর থেকে আমাদের আরো কয়েকবার অফলাইনে মিটআপ হয়, ২০২৫ এ রমজানে ইফতার আয়োজন করি আমরা। স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অবনতি নিয়ে আমরা নিজেদের মাঝে অনলাইনে একটা মিটিং এর আয়োজন করি, এবং আমাদের মতামতগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক মহোদয়গণের নিকট প্রেরণ করা হয়। আর ২০২৫ বছরটা শেষ হয় নব্য পাবলিকিয়ানদের সম্মাননা সূচক ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে, যার সাথে আগের বছরের মতো শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী আয়োজন ছিল এবং টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরামর্শ প্রদান ছিল আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি সফলতা আমাদের জন্য।
এরপর নাম সংশোধন করে পাবলিকিয়ান কমিউনিটি থেকে পাবলিকিয়ান পরিবার, বিদ্যাগঞ্জ রাখার সিদ্ধান্ত আসে।
আমাদের এই পরিবারের বয়স দেড় বছরের বেশি হবে না। মাত্র দেড় বছরে আমরা যতদূর এসেছি, তা কল্পনাতীত। 2025 আমাদের জন্য ছিল নতুন সম্ভাবনার। গত বছরে আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন অনেকে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি কে উদ্দেশ্য করে, আমাদের সবার মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই একান্ত কাম্য এবং এই গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য।
ভবিষ্যতে হয়তো আমাদের কাজের পরিধি আরও বাড়বে, পরিকল্পনা আরও পরিণত হবে, চ্যালেঞ্জও আসবে। কিন্তু এক জিনিস যেন কখনো বদলে না যায়—আমাদের ঐক্য, আমাদের দায়বদ্ধতা আর আমাদের শিকড়ে ফিরে তাকানোর অভ্যাস।
কারণ আমরা শুধু একটি কমিউনিটি নই—
আমরা একই স্কুলের ছায়ায় গড়ে ওঠা, একই স্বপ্নে বিশ্বাসী একটি পরিবার।
ইফতার আয়োজন এ পাবলিকিয়ান পরিবার এর একাংশ
| প্রথম অনলাইন মিটিং |
| SSC-16 to 21 এ পাবলিকিয়ান যারা |
| টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরামর্শ প্রদানে আমাদের কয়েকজন |
Comments
Post a Comment